রিপোর্ট ~আদৃত পাল, পশ্চিম মেদিনীপুর।
সুশান্ত ঘোষকে ঠান্ডা করেছি তৃণমূল কেউ করব, বদল হলে বদলাও হবে বলে পরিবর্তনের ডাক দিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সিপিএমের ভয়ে একসময় প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলতেন শুভেন্দু অধিকারী বলল তৃণমূল। বিধানসভার মুখে চন্দ্রকোনা রোড জুড়ে জোর চর্চা।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোডে ১০ই জানুয়ারি শনিবার ২০২৬ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেসের বাধার মুখে পড়েন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। তারপর তিনি পাল্টা ঘোষণা করে যান ১৩ ই জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার তিনি চন্দ্রকোনারোডে আসবেন। সেইমতো ছিল প্রস্তুতি। এদিন তার মিটিং ঘিরে চন্দ্রকোনা রোডে উদ্দীপনা ছিল তুঙ্গে এবং চোখে পড়ার মতো। এমনিতে বিজেপি গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে জেরবার বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর। তবে এদিন শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচি থাকায় বিজেপির সমস্ত মেরুর লোকজন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে এক সূত্রে এক যোগে ব্যস্ত ছিল মিটিং এর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানে নিজেকে ব্রতী করতে। কারো দায়িত্ব ছিল পতাকা বাঁধতে কেউ ব্যস্ত ছিলেন বাইরে থেকে আসার লোকজনের গাড়ি ঠিকঠাক পদ্ধতিতে রাখা নিয়ে। কেউ দায়িত্বে ছিল পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে আইন আদালতে ঠিকঠাক ভাবে অনুমতি আদায়ে। কেউ মাইক থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলেন ডেকোরেশন নিয়ে।
এদিন সভায় শুভেন্দু অধিকারী ভাষণ দিতে গিয়ে বলতে শুরু করেন ঘটনার দিন ধারা বিবরণী। তাতে তিনি একটা জায়গায় দাবি করেন তিনি বামফ্রন্টের নেতা লক্ষণ শেঠ, সুশান্ত ঘোষদের সঠিক লাইনে এনেছেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদেরও ঠিক করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। আর সেটা নিয়ে তাকে কটাক্ষ করলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের SC, OBC শাখার সভাপতি কৃষ্ণেন্দু বিষুই। ঘটনাচক্রে তপশিলি জাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষ্ণেন্দু বিষুই এর বাড়ি চন্দ্রকোনা রোডেই। তিনি জানান আমরা দীর্ঘদিন শুভেন্দু অধিকারীর সাথে রাজনীতি করেছি। তিনি বলেন আমাদের ক্ষমতায় গড়বেতা শালবনী কেশপুর লালগড় এর মতো এলাকায় ঢুকতেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেব কুমার দে চন্দ্রকোনা রোড এর পরে গড়বেতার যে জঙ্গল সেটা পার করে না দিলে শুভেন্দু অধিকারী গড়বেতা যেতে দুবার ভাবতেন। তার মুখে এই কথা মানায় না। সিপিএমের ভয়ে একসময় প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলতেন শুভেন্দু অধিকারী।