নিউজ ডেস্ক:গ্রিলের কারখানার মজুর থেকে জীবন শুরু করা গণেশ ঘোড়ডই আজ ভাস্কর্য শিল্পের জগতে এক অনন্যতার নজিরগ্রিলের কারখানার মজুর থেকে জীবন শুরু করা গণেশ ঘোড়ডই আজ ভাস্কর্য শিল্পের জগতে এক অনন্যতার নজির রেখেছে।

পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জেলায় রয়েছে তার আর্ট গ্যালারি। সেখানে প্রতিনিয়ত ছেনি হাতুড়ির ঠোকাঢুকিতে রূপ পাচ্ছে অসংখ্য ভাস্কর্য শিল্প। দাসপুর ২ নম্বর ব্লকের মহিষ ঘাটা এলাকার বাসিন্দা গণেশ ঘড়ুই ছোটবেলায় অর্থের অভাবে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারেনি। পঞ্চম শ্রেণীর গণ্ডি পেরিয়েছিল মাত্র। কিন্তু তার ছোট থেকেই ছিল শিল্পের প্রতি অদম্য আকর্ষণ। সংসারে অর্থের অভাব মেটাতে কাজ নিতে হয় কলকাতায় একটি গ্রিল কারখানায় সেখানেই তার সাথে আলাপ হয় চাচা টুকা মল্লিকের।
তার হাত ধরে ই পাথরের উপর ছিনি হাতুড়ি ঢুকে মূর্তি গড়ার শিল্পের জগতে পা দেয় গণেশ।তারপর ২০১৫ সালে দাসপুরের সোনামুই পাথরের মূর্তি তৈরি নিয়ে কারাখনা শুরু করে দুজন কর্মচারী নিয়ে।তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে কাজের ডিমান্ট,শাখা বাড়তে থাকে পূর্ব মেদিনীপুরে শিলিগুড়িতেও হয় শাখা। গণেশের আর্ট গ্যালারির সামনে সাজানো রয়েছে রবীন্দ্রনাথ বিদ্যাসাগর নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি যাদের নিজ হাতে নিখুঁত রূপ দিয়েছে এই গণেশ। এলাকার যুবক যুবতীদের কাছে সাফল্যের অন্যতম নজির হয়ে উঠেছে তাদেরই এলাকার পরিচিত মুখ গনেশ ঘোড় ই।