বাবলু বন্দ্যোপাধ্যায়,তমলুক:রেলের ইতিহাসে যখন নেই আন্ডার পাসের ব্যবস্থা অদম্য জেদ সেই সঙ্গে এলাকার মানুষদের দাবি অনুযায়ী নববর্ষের উপহার এনে দিলেন রেল দপ্তরের কাছ থেকে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর শবরী চক্রবর্তী। সাংবাদিক সম্মেলন করে দীর্ঘদিনের মানুষের দাবী পূরণ করে আগামী ২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জনমুখী কাজ করার ক্ষেত্রে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা যে এলাকার মানুষদের কথা রাখে তা আর একবার প্রমাণ করলেন।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডের অবস্থানগত দিক দুটি পাটে ভাগ হয়ে গেছে রেললাইন যাওয়ার ফলে, একদিকে নারায়নপুর অন্যদিকে কাপাসএরিয়া। ট্রেন যাবে এই খবর আসার পর মানুষজনদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হত যাতায়াত করার ক্ষেত্রে। আন্ডারপাস তৈরি হলে এলাকার মানুষজনরা একদিকে যেমন দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পাবে অন্যদিকে টু হুইলার থেকে শুরু করে ফোর হুইলার মূলত অ্যাম্বুলেন্স জাতীয় গাড়ি যাতায়াত করার ক্ষেত্রে আর কোন অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে না বলে সংবাদপত্রের প্রতিনিধিদের কাছে জানান। ১৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর এলাকার মানুষদের দাবি ছিল আপনার সরকার দিল্লিতে রয়েছে আপনি এলাকার জন্য কিছু করুন। তখনই চিন্তা ভাবনা করা হয়েছিল একটি আন্ডার পাশের। বেশ কয়েকবার সার্ভে করে রেলের ডিআরএম অফিসে দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি।
লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সাংসদ অভিজিৎ গাঙ্গুলি জয় লাভ করার পর অভিজিৎ বাবুকে বিষয়টি জানানো হয়। সহযোগিতার হাত বাড়াবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। পুনরায় সার্ভে করে ডিআরএম অফিসে পাঠানো হয় তৎপরতার সঙ্গে অনুমোদন দিলেও ফান্ডের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বলেন আধিকারিকরা। বিষয়টি শিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের নজরে আনা হয় । যাবতীয় ডকুমেন্টস দ্রুততার সঙ্গে পাঠাতে বলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের নজরে আনেন। রেলমন্ত্রী রেল বাজেটে প্রায় তিন কোটি টাকার অধিক অনুমোদন দেয়।
কাজের ওয়ার্ড অর্ডার বের হয়েছে ২৬,১১,২৫। কাজ শুরু হবে শীঘ্রই, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার মানুষজনদের দাবি অনুযায়ী কথা রাখতে পেরে তিনি খুশি । এলাকার সাংসদ অভিজিৎ গাঙ্গুলী থেকে শুরু করে মানুষদের জন্য কাজ করতে হবে সাহস দেওয়া রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মলয় সিনহা যেভাবে কাজের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন সে বিষয়ে প্রশংসার বিভিন্ন কথা তুলে ধরেন সাংবাদিক বৈঠকে।